প্রতিটি বাক্যের ভেতরে লুকানো আছে তোমার নাম,
যেন গোপন এক চিঠি, কেউ খোলেনি—কেবল আমিই পড়ি নীরবে।
প্রতিটি বিরতিতে ভেসে আসে তোমার নিঃশ্বাসের ছায়া,
যেন বাতাসের নরম স্পর্শে ঘুম পাড়ানো অক্ষর।
তুমি কি জানো—
নীরবতারও উচ্চারণ থাকে,
শব্দহীনতারও ঝংকার আছে?
যখন আমি লিখি, কালি হয়ে ওঠে তোমার স্পর্শ,
যখন আমি থামি, শূন্যতা হয়ে যায় তোমার প্রতিচ্ছবি।
প্রতিটি স্তবকের ভেতর তোমাকে রেখে দিই আমি,
যেন নদীর গভীরে রাখা এক বিন্দু লবণ,
যার স্বাদ ছড়িয়ে পড়ে প্রতিটি ঢেউয়ের ভাঁজে।
তুমি অদৃশ্য থেকেও আলো হয়ে জ্বলে ওঠো—
হয়তো এ কারণেই, লেখা যত দীর্ঘ হয়
ততই মনে হয় তুমি আরো কাছে চলে আসো।
আমার প্রতিটি নিঃশ্বাস এখন অক্ষরে বাঁধা,
আর প্রতিটি অক্ষর—
তোমার নামের অসীম প্রতিধ্বনি।