তোমার চন্দ্রদ্বয়ের আলোর নিচে আমি যেন হারিয়ে যাই,
সুগঠিত কোমল পূর্ণিমাযুগল,
যেখানে স্পর্শ করলেই জ্বলে ওঠে অদৃশ্য আগুন।
তুমি যখন অলিন্দে মেলে ধরো সেই পূর্ণিমার দীপ্তি,
আমার সমগ্র সত্তা বিদ্যুতের মতো কেঁপে ওঠে,
যেন সমুদ্র হঠাৎ পূর্ণিমার জোয়ারে ভিজে যায়।
হে প্রিয়, তোমার দেহ কোনো গোপন কূপ নয়,
বরং রস আর কামনার উৎস,
যেখানে প্রতিটি বাঁক, প্রতিটি উষ্ণতা
একেকটি গোপন শব্দ,
যা আমি পড়ি নিঃশ্বাসের মধ্যে,
স্পর্শের অনুবাদে।
তুমি আমার কাছে বসন্তের মাতাল বাতাস,
যেখানে পাপড়ির ফাঁক দিয়ে ঝরে পড়ে
অমৃতের মিষ্টি কণা।
তোমার ঠোঁটের রঙে আমি মত্ত হই,
তোমার কোমল উপত্যকার মায়ায় আমি গলে যাই,
আর তোমার চোখের গভীরে খুঁজে পাই
শাশ্বত কামনার আদি সুর।
আমরা দুজন যেন এক নক্ষত্রের দুই আগুন,
একবার কাছে এলেই
শরীর আর আত্মা মিলেমিশে যায় অদৃশ্য আলোয়।
তোমার কাছে আসা মানেই আমার পুনর্জন্ম,
তোমার অলিন্দে হারিয়ে যাওয়া মানেই
আমার মুক্তির মহাকাব্য।