প্রিয়তি,
তুমি আমার অনভিজ্ঞ কিশোরবেলার প্রথম বিস্ময়,
যেন রোদ্দুরে ভেজা অশ্রুর গোপন দীপ্তি,
অদ্ভুত, অমোঘ, অবিনাশী।
তুমি সেই প্রতিমা, যাকে আঁকতে গিয়ে কলম কেঁপে ওঠে,
তুমি সেই রূপকথা, যার নাম উচ্চারণ করলেই ছন্দে জেগে ওঠে শিহরণ।
আমি জানতাম না প্রেম কাকে বলে,
তবু তোমার নামেই জেগে উঠেছিল সব প্রথম স্বপ্ন,
হৃদয়ের প্রতিটি কোণ ভরে গিয়েছিল শুধু তোমার প্রতিধ্বনিতে।
কেন জানি, সুখের সব উৎস
শেষমেষ এসে থেমেছিল তোমার দোরগোড়ায়,
যেন পৃথিবী জুড়ে তুমি একমাত্র মোহিনী রাণী।
প্রিয়তি,
তুমি আমার প্রথম কল্পনার নীল আকাশ,
তুমি আমার সাধনার নীরব অগ্নি।
তোমার নামেই আমার শিরা-উপশিরায় প্রবাহিত হয় আলো,
তোমার নামেই জন্ম নেয় শব্দ, গান, কবিতা,
তোমার নামেই আমি পুড়ি, আবার বাঁচি।
তুমি সেই বিস্ময়, যে আমার শৈশবের অদেখা স্বপ্নগুলোকে রঙিন করেছে,
তুমি সেই প্রেম, যে আমার অস্থি-মজ্জা পর্যন্ত ছড়িয়ে আছে।
প্রিয়তি,
তুমি শুধু নাম নও,
তুমি আমার সমগ্র জীবনের অনন্ত সংজ্ঞা।