চারিত্রিক বিচিত্রতা না যদি থাকে
তবে তাদের জীবনী লিখতে ও পড়তে
পরবর্তী আলোচক ও সমালোচকের আগ্রহ থাকে না !!
কবিদের জীবন ঠিক নদীর মতো—
বাহিরে শান্ত, ভেতরে অবিরাম স্রোত।
যেখানে ভালোবাসা জমে থাকে শৈশবের জলাভূমিতে,
আর বিরহের কুয়াশা মিশে যায় গোধূলির রঙে।
তাদের হাসি প্রায়ই ছদ্মবেশী,
কারণ প্রতিটি হাসির আড়ালে লুকানো থাকে এক অসমাপ্ত কবিতা।
তারা ভালোবাসে—অতল গভীরতায়,
অন্যরা যেখানে ভয় পায়, সেখানেই তারা ডুব
দেয় নিঃশব্দ সাহসে।
তারা ভাঙে, গড়ে, আবার ভাঙে;
নিজের ধ্বংস থেকেই তো নতুন ছন্দের জন্ম হয়।
তাদের প্রেম কোনো মানুষের নয়—
তা সময়ের, নিঃসঙ্গতার, কিংবা অচিন এক অনন্ত আত্মার।
কবিদের রক্তে মিশে থাকে আগুনের অক্ষর,
যে আগুনে তারা নিজেকেই বারবার পোড়ায়,
যেন আলো জন্মায় অন্ধকারের গর্ভে।
তারা জানে—যে কষ্টকে আলিঙ্গন করা যায়,
সেই কষ্টই একদিন হয়ে ওঠে প্রেরণার দেবদূত।
কবিদের জীবন তাই এত বিচিত্র,
কারণ তারা একসাথে মাটি আর আকাশ, জল আর
শিখা।
তারা চলে না, ভেসে বেড়ায় সময়ের বুকের
উপর,
যেন প্রতিটি মুহূর্তই তাদের শেষ কবিতার প্রথম পঙ্ক্তি।
তাদের দেখে পৃথিবী ভাবে—
এই মানুষগুলো অদ্ভুত,
কিন্তু ঈশ্বর নিশ্চয়ই জানেন—
এই অদ্ভুততার মাঝেই লুকানো আছে
মানবতার সবচেয়ে সুন্দর রূপ।