আমি এই অনন্ত মাঠের এক রাখাল,
আমার বাঁশির সুরে প্রকাশ করতে থাকি
সেইসব অপ্রকাশিত কথা,
যেগুলো মুখে বলতে গেলে কণ্ঠ আটকে যায়।
বাতাস জানে,
এই সুরে শুধু প্রেম নেই—
আছে সময়ের ক্ষত,
আছে হারিয়ে যাওয়া মুখের নীরব নাম।
প্রতিটি নোট যেন কোনো অসম্পূর্ণ চিঠি,
যা কখনও পৌঁছায় না কারও কাছে,
তবু সন্ধ্যার আকাশে উড়ে বেড়ায়
অপেক্ষার এক পাখির মতো।
গরুগুলো ফিরে যায় বাড়ির পথে,
কিন্তু আমি ফিরি না—
আমার ঘর এই মাঠ,
আমার কথা এই বাঁশির শ্বাসে লেখা।
যখন হাওয়া থেমে যায়,
তখনও আমি বাজাই—
হয়তো সেই মেয়েটির জন্য,
যে কোনোদিন পাতার আড়াল থেকে
শুনেছিল আমার প্রথম ভালোবাসার সুর।